Posted on Leave a comment

এক নজরে দেখে নিন আমরা নামাজের মধ্যে যে সব ভূলগুলো করে থাকি

[h1]আসসালামু আলাইকুম[/h1]
[start]

আশা করি ভালো আছেন।আজকের পোষ্টে আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট।

[color=red]আজকে আমারা জানব আমরা নামাজের মধ্যে সাধারণত যে ভূলগুলো করে থাকি।[/color]

১। তাড়াহুড়া করে অজু করা>>>

[color=green]অজুর ফরজ চারটি। মুখমণ্ডল ধৌত
করা, উভয় হাত কনুইসহ ধোঁয়া, মাথার এক-চতুর্থাংশ মাসেহ করা এবং উভয় পা টাখনুসহ ধোয়া।

[color]

এগুলো সঠিকভাবে আদায় করতে হবে। হাত-
পা, মুখমণ্ডলের নির্দিষ্ট স্থানে
পানি পৌঁছাতে হবে। কোনো জায়গা শুকনো থাকলে অজু হবে না।তাই তাড়াহুড়া করে অজু না করা ভালো।

অজু শেষে কালেমা শাহাদাত পড়া যেতে পারে। হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অজু শেষে
কালেমা শাহাদাত পাঠ করবে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়। সে ইচ্ছা করলে এর যে কোনো দরজা দিয়ে (জান্নাতে) প্রবেশ করতে পারবে।’

[color=red]২। নামাজের জন্য দৌড়ে যাওয়া[/color]

অনেকেই নামাজের জন্য মসজিদে দৌড়ে যান। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্রুত হাঁটা দৌঁড়ের কাছাকাছি বা দৌঁড় দিয়েও অনেকে নামাজে পৌঁছে হাঁপাতে হাঁপাতে কাতারে দাঁড়িয়ে যান।

এই হাঁপানো অবস্থাতেই এক রাকাতের মতো চলে যায়। এটা আল্লাহর রাসূল (সা.) পছন্দ করেননি। তিনি নিষেধ করেছেন। আপনি হয় সময় নিয়ে নামাজ পড়তে যাবেন অথবা ধিরস্থির ও শান্তভাবে হেঁটে গিয়ে যতটুকু জামাতে শরিক হতে পারেন হবেন
এবং বাকি নামাজ নিজে শেষ করবেন।

[color=blue]৩। ফজরের সুন্নতে তাড়াহুড়া করা>>>>[/color]

ফজরের নামাজের জামাতে অংশ নেয়ার জন্য ফজরের ফরজের আগের সুন্নত নামাজ সংক্ষিপ্তভাবে শেষ করে জামাতে ইমামের সঙ্গে দাঁড়ানোর চিত্র হরহামেশাই দেখা যায়।এমন অযাচিত তাড়াহুড়া নিষেধ, এমন অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে হাদিসে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এবং সেটাই মান্য।

সেই নির্দেশনা হলো, যদি কেউ ফজরের জামাতের আগে মসজিদে যেতে পারেন তাহলে প্রথমে সুন্নত দুই রাকাত পড়ে জামাতের জন্য অপেক্ষা করবেন। আর যদি দেরি
হয়ে যায় এবং জামাত শুরু হয়ে যায় তাহলে প্রথমে মসজিদে গিয়ে ইমামের সঙ্গে জামাতে শামিল হতে হবে এবং জামাতের পর বাকি নামাজ

[color=navy]৪। কাতার পূর্ণ না করে নতুন কাতার
করা[/color]

সামনের কাতারে দাঁড়ানোর জায়গা আছে। সে জায়গায় না দাঁড়িয়ে অনেকেই নতুন কাতার শুরু করেন। ফলে কাতারের ডান কিংবা বাম দিক
অপূর্ণ থাকে। মুসল্লি থাকা সত্ত্বেও কাতার পূর্ণ হয় না।

এভাবে কাতার অপূর্ণ রাখা ঠিক নয়। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কাতার মিলিত করে আল্লাহ তার সঙ্গে সম্পর্ক জুড়ে দেন, আর যে ব্যক্তি কাতার বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহ তার সঙ্গে সম্পর্ক
বিচ্ছিন্ন করেন।’

আশা করি ভালো লাগবে।ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন পোষ্টটি ভালো লাগলে আমার এই ছোট সাইটটি[url=http://tipsbd24.xyz] TipsBD24.XyZ[/url] গুরে আসবেন