Posted on Leave a comment

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিকাশে উল্লেখযোগ্য ১০জন ব্যাক্তির বিষয় জেনে নিন।

[start]

[color=red]তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তিক্তঃ[/color]

[img id=3120]
তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির আজকের বিকাশের পেছনে রয়েছে অনেক বিজ্ঞানী, ভিশনারি, প্রকৌশলী এবং
নির্মাতাদের অবদান। তার এবং তারহীন যােগাযােগ ব্যবস্থা, কম্পিউটারের গণনা ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং
মাইক্রোইলেকট্রনিক্সের বিকাশ বর্তমানে আইসিটিকে মুঠোর মধ্যে নিয়ে এসেছে।
আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ বা প্রচলন শুরু হয়
চার্লস ব্যাবেজ
(Charles Babbage)
[১৭৯১-১৮৭১]

নামে একজন ইংরেজ
প্রকৌশলী ও গণিতবিদের হাতে। অনেকে তাকে আধুনিক
কম্পিউটারের জনক বলে থাকেন। তিনি তৈরি করেন ডিফারেন্স
ইঞ্জিন। ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে চার্লস ব্যাবেজের
বর্ণনা অনুসারে একটি ইঞ্জিন তৈরি করা হয়। দেখা যায় যে, সেটি
সঠিকভাবেই কাজ করছে এবং পরবর্তীতে তিনি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন
নামে একটি গণনা যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন।
[img id=3121]
তবে গণনার কাজটি কীভাবে আরাে কার্যকর করা যায় সেটি নিয়ে
ভেবেছিলেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada
Lovelace)

(১৮১৫-১৮৫২) মায়ের কারণে অ্যাডা ছােটবেলা থেকে
বিজ্ঞান ও গণিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের
সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে
কাজে লাগানাের জন্য ‘প্রােগ্রামিং’-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। এ
কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রােগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত
করা হয়। ১৮৪২ সালে ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ইঞ্জিন
সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে পুরাে
বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি বর্ণনা করেন। কাজের ধারা
বর্ণনা করার সময় তিনি এটিকে ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন।
অ্যাডার মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নােট আবারাে

প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেসই অ্যালগরিদম
অ্যাডা লাভলেস

প্রােগ্রামিংয়ের ধারণাটা আসলে প্রকাশ করেছিলেন।

[img id=3122]

ব্যাবেজ আর আমার এই কার্যক্রমের পাশাপাশি সে সময়
পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়। বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক.ম্যাক্সওয়েল
(James Clerk Maxwell) (১৮৩১-১৮৭৯) তড়িৎ
| চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রকাশ করেন, যা কিনা তারে বার্তা প্রেরণের
একটি সম্মানাকে তুলে ধরে।

[img id=3123]

বিনা তারে এক স্থান থেকে
অন্য স্থানে বার্তা প্ররণে
প্রথম সফল হন বাঙালি
বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু
Jagadish Chandra

| জেমস ক্লার্ক মঙ্গল
Bose) (১৮৫৮-১৯৩৭)। ১৮৯৫ সালে জগদীশচন্দ্র বসু অষ্ঠিদ্র
তরল ব্যবহার করে এক স্বল থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রণে সক্ষম
কন। কিন্তু তার এই আবিস্কার প্রকাশিত না হওয়ায় সার্বজনীন স্বীকৃতি
পায়নি।

স্বীকৃতি পান
[img id=3124]
ইতালির বিজ্ঞানী
একই কাজ প্রথম
প্রকাশিত হওয়ায় সার্বজনীন
গুগলিয়েলম
বেতার তরঙ্গ ব্যবহার
করে মার্কনি (Guglielmo Marcomi) (১৮৭৪-১৯৩৭)।
এজন্য তাকে বেকার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বিশ শতকে ইলেকট্রনিক্সের বিকাশের পর প্রথমে আইবিএম কোম্পানি
মেইনফ্রেম কম্পিটার তৈরি করে। পর্যায়ক্রমে ১৯৭১ সালে
মাইক্রোপ্রসেসর আবিস্কৃত হলে সাশ্রয়ী কম্পিউটার তৈরির পথ সুগম হয়।
[img id=3125]
পুপন্সিয়েলমাে মার্কনি
বিশ শতকের ষাট-সত্তরের
দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল (Internet Protocol) ব্যবহার করে
আরপানেটের (Arpanet) আবিস্কৃত হয়। বলা যায়, তখন থেকে
নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূল্পে মধ্যে আন্তঃসত্মােণ বিকশিত
হতে শুরু করে। আর এ বিকাশের ফলে তৈরি হয় ইন্টারনেট। ১৯৭১
সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পালাপের সূচনা করেন
আমেরিকার প্রােগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন Rেarmond

Sarmuel Tomlinson)। তিনিই প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু

[img id=3126]

মাইক্রোপ্রসেসরের আবির্ভাবের পর বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে
সেটি ব্যবহার করে পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরির কাজ শুরু হয়।
স্টিভ জবস (Steve Jobs) (১৯৫৫-২০১১) ও তার দুই বন্ধু
স্টিভ জজনিয়াক (Steve Wozaniak) ও রোনাল্ড ওয়েনে
| (Ronald Wayne) ১৯৭৬ সালের ১লা এপ্রিল অ্যাপল

কম্পিউটার নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। প্রতিষ্ঠানটি
বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান। অ্যাপলের হাতেই
পার্সোনাল কম্পিউটারে নানান পর্যায় বিকশিত হয়েছে।

[img id=3127]

অন্যদিকে ১৯৮১ সালে আইবিএম কোম্পানি তাদের বানানাে
পার্সোনাল কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করার জন্য
উইলিয়াম হেনরি বিল গেটস (William Henry Gates)
(জন অক্টোবর ২৮, ১৯৫৫) ও তার বন্ধুদের প্রতিষ্ঠান
মাইক্রোসফটকে দায়িত্ব দেয়। বিকশিত হয় এমএস ডস এবং
উইন্ডােজ অপারেটিং সিস্টেম। বর্তমানে পৃথিবীর অধিকাংশ

কম্পিউটার পরিচালিত হয় বিল গেটস প্রতিষ্ঠিত মাইক্রোসফট
| কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার দিয়ে।

[img id=3128]

ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার।

তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন। সেই থেকে স্যার টিমােথি জন
| ‘টিম বার্নাস-লি (Tim Berners Lee) (জন্ম জুন-৮, ১৯৫৫)ওয়ার্ড

ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত। নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির
বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট কিভূত হয়।

ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
| এবং বিকশিত হয় বিষ্মিধ্বনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

[img id=3129]

বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যমের নাম
| ফেসবুক। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মার্ক জুকারবার্গ (Mark

Zukerberk) (জন্ম মে ১৪, ১৯৮৪) ও তার চার বন্ধুর হাতে সুচিত হয়।
ফেসবুকের। শুরুতে এটি কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবদ্ধ
থাকলেও মার্চ ২০১৫-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের প্রায় ১৪১৫ মিলিয়ন
ব্যবহারকারী ফেসবুক ব্যবহার করেন। এ সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আমাদের
বাংলাদেশের অনেকেই সামাজিক যােগাযােগের মাধ্যম হিসেবে এখন ফেসবুক
ব্যবহার করেন।

আসলে পোস্টি আমি আমার নবম শ্রেণির তথ্য বই থেকে লিখে করেছি।
তাই কিছু জায়গায় ভূল হতে পারে তাই, যদি ভূলও হয় তাহলে ক্ষমা করে দিয়েন। 

[end]

Posted on Leave a comment

[পর্ব-১] দেখে নিন হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর যৌবনকাল, নবুয়ত প্রাপ্তি ও ইসলাম প্রচার সম্পকে??

[start]
[img id=2466]

[h2]হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর যৌবনকাল, নবুয়ত প্রাপ্তি ও ইসলাম প্রচারঃ[/h2]

[h2]যৌবনকালঃ[/h2]

| যুবক মুহাম্মদ (স.)-এর সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা ও চারিত্রিক গুণাবলির সংবাদ মক্কার দিকে দিকে

ছড়িয়ে পড়ল। তখনকার আরবের শ্রেষ্ঠ সম্পদশালী বিদুষী ও বিধবা মহিলা হযরত খাদিজা (রা.) তাঁর
| ব্যবসার দায়িত্ব হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর উপর অর্পণ করেন। হযরত মুহাম্মদ (স.) তাঁর ব্যবসায়িক কাজে
সিরিয়া যান। তিনি এ ব্যবসায় আশাতীত লাভবান হয়ে দেশে ফিরে আসেন। যুবক হয়েও খাদিজা (রা.)-এর
ব্যবসায় হযরত মুহাম্মদ (স.) যে দায়িত্বশীলতা ও সততার পরিচয় দিয়েছিলেন তা সর্বকালে সকল যুবকেরজন্য আদর্শ। খাদিজা হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর গুণাবলি পর্যবেক্ষণ করার জন্য তাঁর অত্যন্ত বিশ্বত
কর্মচারী ‘মাইসারা’কে মুহাম্মদ (স.)-এর সাথে সিরিয়া পাঠান। মাইসারা সিরিয়া থেকে ফিরে এসে হ

স হযরত
মুহাম্মদ (স.)-এর চারিত্রিক গুণাবলির বর্ণনা খাদিজা (রা.)-কে দেন। তাতে মুগ্ধ হয়ে খাদিজা নিজেই হযরত
মুহাম্মদ (স.)-এর নিকট তার বিবাহের প্রস্তাব পাঠান। চাচা আবু তালিবের অনুমতি নিয়ে হযরত মুহাম্মদ
(স.) খাদিজাকে বিবাহ করেন। এ সময় হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর বয়স ছিল পঁচিশ বছর। আর খাদিজা
(রা.)-এর বয়স ছিল চল্লিশ বছর। বিবাহের পর খাদিজার আন্তরিকতায় ও সৌজন্যে হযরত মুহাম্মদ (স.)
প্রচুর সম্পদের মালিক হন। কিন্তু হযরত মুহাম্মদ (স.) এ সম্পদ নিজের ভােগ-বিলাসে ব্যয় না করে।
অসহায়, দুঃখী, পীড়িত ও গরিব-মিসকিনদের সেবায় ব্যয় করেন।আজকের সমাজে আমরা যদি মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ন্যায় আর্তমানবতার সেবায় সম্পদ ব্যয়
করি, তাহলে সমাজের দুঃস্থ, অসহায় ও গরিব-দুঃখীদের কষ্ট লাঘব হবে, সমাজে শান্তি বিরাজ করবে।
মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর বয়স যখন পঁয়ত্রিশ বছর তখন কাবা শরিফ পুনর্নির্মাণ করা হয়। হাজরে।
আসওয়াদ (কালাে পাথর) স্থাপন নিয়ে আরবের বিভিন্ন গােত্রে বিরােধ দেখা দেয়। সবাই হাজরে আসওয়াদ।
স্থাপনের গৌরব অর্জন করতে চায়। তাতে কেউ ছাড় দিতে রাজি নয়। ফলে গােত্রে গােত্রে যুদ্ধ বেধে যাওয়ার
উপক্রম হয়। অতঃপর সকলে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, পরের দিন সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি কাবা ঘরে প্রবেশ
করবে তার ফয়সালা মেনে নেওয়া হবে। দেখা গেল পরের দিন সকলের আগে হযরত মুহাম্মদ (স.) কাবা
ঘরে প্রবেশ করলেন। সবাই এক বাক্যে বলে উঠল, এই এসেছেন আল-আমিন, আমরা তাঁর প্রতি আস্থাশীল।
ও সন্তুষ্ট। হযরত মুহাম্মদ (স.) অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও নিরপেক্ষতার সাথে যে ফয়সালা দিলেন, সকলে
তা নির্দ্বিধায় মেনে নিল। ফলে তারা অনিবার্য রক্তপাত থেকে মুক্তি পেল । এভাবে বর্তমান সময়েও
বিচক্ষণতা ও নিরপেক্ষতার সাথে বিচারকার্য পরিচালনা করলে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে। জাতি
অনেক অনিবার্য দ্বন্দ্ব-সংঘাত ও রক্তপাত থেকে মুক্তি পাবে।

[img id=2499]

[h2]নবুয়ত প্রাপ্তিঃ[/h2]

হযরত খাদিজা (রা.)-এর সাথে বিবাহের পর হযরত মুহাম্মদ (স.) মক্কার অদূরে হেরা পর্বতের গুহায় গভীর
ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। দীর্ঘদিন ধ্যানে মগ্ন থাকার পর ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র রমযান মাসের কদরের
রাতে হযরত জিবরাইল (আ.) তাঁর নিকট ওহি নিয়ে আসেন এবং তিনি নবুয়ত প্রাপ্ত হন।

উত্তরে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) বললেন, আমি পড়তে জানি না । জিবরাইল (আ.) তাঁকে জড়িয়ে ধরে।
বললেন, পড়ন! তিনি বললেন, আমি পড়তে জানি না। এভাবে তিনবার প্রিয়নবি (স.)-কে জড়িয়ে ধরলেন।
অতঃপর ততীয়বারের সময় তিনি পড়তে সক্ষম হলেন। বাড়ি ফিরে হযরত মুহাম্মদ (স.) হযরত খাদিজা।
(রা.)-এর নিকট সব ঘটনা খুলে বললেন এবং জীবনের আশংকা করলেন। তখন হযরত খাদিজা (রা) তাঁকে
সান্ত্বনা দিয়ে বললেন- না, কখনাে না। আল্লাহর শপথ! তিনি আপনাকে কখনাে অপদস্থ করবেন না। কারণ।
আপনি আতীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করেন, দুঃস্থ ও দুর্বলদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন, নিঃস্ব ও অভাবীদেরউপার্জনক্ষম করেন। মেহমানদের সেবাযত্ন করেন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে (লােকদের) সাহায্য করেন।এতে বােঝা যায় যে, নবুয়ত প্রাপ্তির পূর্বেও হযরত মুহাম্মদ (স.) কী রকম আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে।
মানবিক মহৎ গুণাবলি অনুশীলন করতেন এবং মানবতার সেবায় নিয়ােজিত থাকতেন। আমাদের উচিত
বাস্তবজীবনে মহানবির এসব আদর্শ অনুশীলন করা।
[img id=2501]
[h2]ইসলাম প্রচারঃ[/h2]

নবুয়ত প্রাপ্তির পর মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) বিপথগামী মক্কাবাসীর নিকট ইসলাম প্রচার আরম্ভ
করেন। তিনি ঘােষণা করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনাে উপাস্য নেই এবং হযরত মুহাম্মদ (স.)
আল্লাহর রাসুল। তিনি আরও ঘােষণা করেন, ইসলামই আল্লাহর একমাত্র মনােনীত ধর্ম, আল-কুরআন এ
ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ। আল্লাহ সমগ্র বিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, নিয়ামক এবং সবকিছুর মালিক। তিনি সকল
সৃষ্টির জীবন ও মৃত্যুদানকারী।প্রথম তিন বছর তিনি গােপনে তার আত্মীয়স্বজনকে ইসলামের দাওয়াত দিলেন। পরে আল্লাহর নির্দেশে ।
প্রকাশ্যে ইসলামের পথে দাওয়াত দেওয়া শুরু করলেন। এতে মূর্তি পূজারিরা তার বিরােধিতা করতে শুরু
করল। নবিকে তারা ধর্মদ্রোহী, পাগল বলে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতে লাগল। তারা তাঁর উপর শারীরিক, মানসিক
নির্যাতন চালাল, পাথর ছুড়ে আঘাত করল, আবর্জনা নিক্ষেপ করল, অপমানিত ও লাঞ্ছিত করল। মহানবি
হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে নেতৃত্ব, ধন-সম্পদ ও সুন্দরী নারীর লােভ দেখাল। তিনি বললেন, আমার এক
হাতে চন্দ্র আর অন্য হাতে সূর্য এনে দিলেও আমি এ সত্য প্রচার করা থেকে বিরত হব না। সত্য প্রচারে
মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) যে আত্মত্যাগ, ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিয়েছেন তা থেকে শিক্ষা নিয়ে
আমাদেরও সত্য ও ন্যায়ের পথে আত্মত্যাগী, দৃঢ়সংযমী, ধৈর্যশীল ও কষ্ট-সহিষ্ণু হওয়া উচিত।
[end]

Posted on 2 Comments

যেনে নিন বয়ঃসন্ধিকাল পরিবর্তনের কারণ??ও দৈহিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখা সম্পকে??

[start]

[img id=2388]

[h2]বয়ঃসন্ধিকাল পরিবর্তনের কারণ:[/h2]

সাধারণত ছেলেমেয়েদের ১১-১৯ বছরের সময়কালকে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। তােমরা এর মাঝে জেনে।
| গেছ যে এ সময়ে ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়। তবে আবহাওয়া,

স্থান, খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ ও মানের তারতম্যের কারণে এক একজনের বয়ঃসন্ধিকালের সময়টা এক।

* এক রকম হতে পারে। বয়ঃসন্ধিকালে যেসব পরিবর্তন ঘটে, তার জন্য দায়ী হরমােন নামক একটি

রাসায়নিক পদার্থ, যা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। হরমােন শরীরের ভিতরে স্বাভাবিক শারীরিক
| প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। ছেলে ও মেয়েদের শরীরের হরমােন ভিন্ন। এ কারণে তাদের শরীর ও মনে
যে পরিবর্তন হয় সেটিও ভিন্ন। মেয়েদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য দায়ী প্রধানত দুটি হরমােন।
এ হরমােন দুটোর নাম হলাে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন।

এসব হরমােনের প্রভাবে কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন হয়, দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-
প্রত্যঙ্গের আকার বৃদ্ধিসহ অন্যান্য পরিবর্তন ঘটে। এ হরমােনের কারণে মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক
শুরু হয়। বয়স যখন ১০-১৭ বছর হয়, সাধারণত তখনই মেয়েদের ঋতুস্রাব শুরু হয়। নারীর সন্তান।
ধারণের সক্ষমতার লক্ষণ হলাে নিয়মিত ঋতুস্রাব। ঋতুস্রাব শুরু হওয়া সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। বাংলাদেশের
নারীদের সাধারণত ৪৫-৫৫ বছর বয়সের মধ্যে ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। ২৮ দিন পরপর বা মাসে
একবার এই ঋতুস্রাব প্রক্রিয়া চলে এবং সাধারণত এটি ৩-৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য যে হরমােন দায়ী, তার নাম হলাে টেস্টোস্টেরন।
এ হরমােনের প্রভাবে তাদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে। ছেলেদের গলায় স্বর ভারী হয়।
মুখে দাড়ি ও গোঁফ গজায় (চিত্র ৪,০২), দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি পায়। ১৩ থেকে ১৫ বছরের ছেলেদের শরীরে
শুক্রাণু তৈরি হয় এবং মাঝে মাঝে রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত ঘটে। ছেলে ও মেয়ে উভয়ের
মাঝেই শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক পরিবর্তন হয়। ছেলে ও মেয়েরা এ বয়সে কল্পনাপ্রবণ।
হয় এবং আবেগ দ্বারা চালিত হয়। তারা পরিপাটি রূপে নিজেকে সাজিয়ে রাখতে চায় (চিত্র ৪.০৩)।

এ সময় ছেলেরা মেয়েদের প্রতি এবং মেয়েরা ছেলেদের প্রতি আকর্ষণবােধ করে। এভাবেই ধীরে ধীরে
| কিশাের-কিশােরীরা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষে পরিণত হতে শুরু করে।
তােমরা জেনেছ যে ছেলে-মেয়েদের ১১-১৯ বছর বয়সের সময়কালকে বলা হয় বয়ঃসন্ধিকাল।
তােমরা এও জেনেছ, এ সময় ছেলে-মেয়েদের দৈহিক ও মানসিক ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন ঘটে। এই
পরিবর্তনগুলাের সাথে স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়টি জড়িত।

[img id=2389]

[h2]দৈহিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখা:[/h2]

বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের মাঝে মাঝে রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে যে বীর্যপাত ঘটে, সেটাকে স্বপ্নদোষ বলা
হয়ে থাকে। স্বপ্নদোষ ভয় বা লজ্জার কোনাে বিষয় নয়। “স্বপ্নদোষ” বলা হলেও এটি কোনাে দোষ নয়।
| এটা এ বয়সে শরীরের একটি স্বাভাবিক কার্যক্রম। বয়ঃসন্ধিকালে সাধারণ ১৩ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে
ছেলেদের শুক্রাণু তৈরি শুরু হয়। কখনাে কখনাে ঘুমের মধ্যে বীর্যের মাধ্যমে এ শুক্রাণু দেহের বাইরে
বেরিয়ে আসে। শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই শরীর থেকে বীর্যপাত হয় এবং তা অবিরাম তৈরি হতে
| থাকে। স্বপ্নদোষ হলে গােসল করে পরিষ্কার হওয়া ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে দুর্ভাবনা করার কিছু নেই। এ।
| সময় শরীর দ্রুত বেড়ে উঠে বলে পুষ্টিকর খাবার (চিত্র ৪.০৪, চিত্র ৪.০৫) বিশেষ করে বেশি করে শাক-

সবজি খাওয়া ও পানি পান করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা উচিত। বয়ঃসন্ধিকালে স্বাভাবিক শারীরিক
| [img id=2390]

পরিবর্তন ছাড়াও নানা রকম মানসিক পরিবর্তন হয়। প্রয়ােজন হলে এ বিষয়ে মা-বাবা ও নিকটাত্মীয়দের।
সাথে আলাপ-আলােচনা বা পরামর্শ করা যেতে পারে। বয়সন্ধিকালে সবাই খুব আবেগপ্রবণ হয়ে উঠে
সবাইকে বুঝতে হবে এটি হরমােনের ক্রিয়া এবং বয়ঃসন্ধিকাল পার হওয়ার পর সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে।
যাবে। ছেলেদের মতাে মেয়েদেরও বয়ঃসন্ধিকালে অনেক পরিবর্তন ঘটে। এ সময় পরিবর্তন ঘটে, তার মধ্যে ঋতুস্রাব বা মাসিক এবং সাদা স্রাব সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য।
সাধারণত ৯-১৩ বছর বয়সের মধ্যে মেয়েদের ঋতুস্রাব শুরু হয়। প্রত্যেক মাসে একবার ঋতুস্রাব হয়।
বলে একে মাসিক বলে। মেয়েদের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাব শরীরের একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। ঋতুস্রাবের সময়৩-৫ দিন পর্যন্ত রক্তস্রাব হতে পারে। কারাে কারাে ক্ষেত্রে এ সময় কিছুটা

রে।[h2]

[/h2]
কারাে কারাে ক্ষেত্রে এ সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। কখন।
ঋতুস্রাব শুরু হবে, সেই সময়টুকু অনুমান করে তার জন্য আগে থেকে প্র

সময়টুকু অনুমান করে তার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা দরকার।
এ সময় মেয়েদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, নিয়মিত গােসল করা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং বিেশ
পরিমাণে পানি পান করা প্রয়ােজন। এ সময় সাধারণত, একটু বেশি বিশ্রাম নেওয়া দরকার।
যেহেতু মাসিকের সময় শরীর থেকে অনেক রক্ত বেরিয়ে যায়, তাই ক্ষয়পূরণের জন্য মাছ, মাংস, সবাভা।
এবং ফলমূল বেশি পরিমাণে খাওয়া দরকার। মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা হতে পারে। সেক্ষেত্রে।
গরম পানির সেঁক দিলে আরাম বােধ হবে। এ সময় মাথাব্যথা ও কোমরে ব্যথা হতে পারে। এসব দেখে।
বিচলিত হওয়া বা ভয় পাবার কিছু নেই। ব্যথা বেশি হলে ডাক্তারের পরামর্শে ঔষধ সেবন করতে হবে।

মাসিকের সময় আজকাল শােষক হিসেবে ব্যবহার করার জন্য প্যাড পাওয়া যায়। প্যাড জোগাড় করা
সহজ না হলে পরিষ্কার জীবাণুমুক্ত তুলা বা পরিষ্কার শুকনাে কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে। মাসিকের ।
সময় ব্যবহার করা কাপড় শােষক হিসেবে আবার ব্যবহার করতে হলে সাবান দিয়ে গরম পানিতে ধুতে
হবে এবং রােদে শুকিয়ে গুছিয়ে রাখতে হবে। এই কাপড় অন্ধকার ও স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় রাখা ঠিক।
নয়, তাহলে বিভিন্ন রােগ-জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
[end]

Posted on Leave a comment

বয়ঃসন্ধিকাল কী? এ সময় মেয়ে ও ছেলেদের মধ্যে কী ধরণের পরিবর্তন ঘটতে পারে?

প্রিয় ভাই ও বোন আশা করি ভালো আছেন?







আমি ও অনেক ভালো আছি।


আজকের বিষয়টি হলো “বয়ঃসন্ধিকাল”।


বর্তমানে আমরা সকলেই বয়ঃসন্ধিকালের মধ্যো দিয়ে বেড়ে উঠছি তাই না?






আজকের এই বিষয়টি তাদের জন্য যারা বর্তমানে বয়ঃসন্ধিকালের মধ্যো দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।








আসলে বয়ঃসন্ধিকালে আমাদের মধ্যো নানান ধরণের পরিবর্তন ঘটে।


এই পরিবর্তন গুলো আমরা পরিবারের মানুষদেরকে জানাতে সংকোচ বোধ করি।


এটা আমরা লুকিয়ে রাখি ফলে অনেক সময় নানা সমস্যার দেখা দেয়।






আজকের বিষয়টি দেখে আপনি
বয়সন্ধিকাল কি?


বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে কি ধরণের পরিবর্তন ঘটে?


তা জানতে পারবেন।


তাহলে আসুন আর দেরি নয়।


আজকের বিষয়টা ভালোভাবে পড়ুন সকল বিষয় জানতে পারবেন।













[img id=1609]
[h2]বয়ঃসন্ধিকাল কী? [/h2]


কোনাে বাড়িতে একটি শিশু জন্ম নিলে সেখানে আনন্দের সাড়া পড়ে যায়।


সকলেই শিশুটিকে আদর
করতে চায়, কোলে নিতে চায়।


শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত থাকে তাদের
শৈশবকাল।


ছয় থেকে দশ বছর পর্যন্ত বয়সকে আমরা বাল্যকাল বলি, তখন একজন শিশুকে মেয়ে
হলে বালিকা এবং ছেলে হলে বালক বলা হয়।


দশ বছর বয়সের পর একটি মেয়েকে কিশােরী এবং
একটি ছেলেকে কিশোের বলা হয়।


মানুষের জীবনের এই সময়কে বয়ঃসন্ধিকাল বলে।


দশ বছর থেকে
উনিশ বছর বয়স পর্যন্ত কিশােরকালের বিস্তৃতি।


অর্থাৎ বয়ঃসন্ধিকাল বাল্যাবস্থা ও যৌবনকালের
মধ্যবর্তী সময়।


এ সময়কালে বালক ও বালিকার শরীর যথাক্রমে পুরুষের এবং নারীর শরীরে পরিণত
হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।


সাধারণত মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল ছেলেদের চেয়ে একটু আগে শুরু হয়।

মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয় আট থেকে তেরাে বছর বয়সের মধ্যে।


ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকাল শুরুর
বয়স দশ থেকে পনেরাে বছর।


কারাে কারাে ক্ষেত্রে এর চেয়ে একটু আগে বা পরেও বয়ঃসন্ধিকাল
শুরু হতে পারে।












[img id=1610]
[h2]বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনসমূহঃ[/h2]


বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তনগুলাের মধ্যে দৈহিক বা
শারীরিক পরিবর্তনগুলােই প্রথমে চোখে পড়ে।


এই
পরিবর্তন দেখলেই বােঝা যায় যে কারাে বয়ঃসন্ধিকাল
চলছে।


শৈশব থেকে বাল্যকাল পর্যন্ত ছেলেমেয়েরা ধীরে ধীরে
বেশ সময় নিয়ে বেড়ে ওঠে।


কিন্তু বয়ঃসন্ধিকালের।


বেড়ে ওঠা অনেকটা আকস্মিক।


ছেলেমেয়েরা হঠাৎ
দ্রুত লম্বা হতে থাকে ওজনও বাড়তে
থাকে দ্রুত।


দশ বছর বয়সের পরে তিন থেকে চার
বছর ধরে মেয়ে ও ছেলেদের শরীরে নানারকম
পরিবর্তন আসে।।

নানা কারণে আমাদের দেশের মানুষেরা এই অত্যন্ত
স্বাভাবিক পরিবর্তনের বিষয়গুলাে আলােচনা করতে
সংকোচ বােধ করে।


কিন্তু যেহেতু তােমরা এখন
বয়ঃসন্ধিকালের ভেতর দিয়ে যাচ্ছ, তাই তােমার ভেতর কী কী পরিবর্তন হবে, সেগুলাে জেনে রাখা

ভালো।


তাহলে তােমরা ভয় কিংবা লজ্জা না পেয়ে তােমাদের ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে প্রস্তুত থাকতে
পারবে।


বয়ঃসন্ধিকালে যেসব পরিবর্তন দেখা দেয়, সেগুলাে প্রধানত তিন রকম:










১. শারীরিক পরিবর্তন


২. মানসিক পরিবর্তন


৩. আচরণগত পরিবর্তন।






[img id=1613]
[h2]শারীরিক পরিবর্তনঃ[/h2]




(ক) দ্রুত লম্বা হয়ে ওঠা এবং দ্রুত ওজন বেড়ে যাওয়া


(খ) ছেলেদের (১৬/১৭ বছর বয়সে) দাড়ি-গোঁফ গজানাে এবং মেয়েদের স্তন বর্ধিত হতে শুরু করা


(গ) শরীরের বিভিন্ন অংশে লােম গজাননা।


(ঘ) ছেলেদের স্বরভঙ্গ হওয়া ও গলার স্বর মােটা হওয়া


(ঙ) ছেলেদের বীর্যপাত এবং মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়া


(চ) ছেলেদের বুক ও কাঁধ চওড়া হয়ে ওঠা এবং মেয়েদের কোমরের হাড় মােটা হওয়া।








[img id=1614]
[h2]মানসিক পরিবর্তনঃ[/h2]




(ক) অন্যোর, বিশেষত নিকটজনের মনোযোগ, যত্ন ও ভালেবাসা পাওয়ার ইচ্ছা তীব্র হওয়া।


(খ) আবেগ দ্বারা চালিত হওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি হওয়া।


(গ) ছেলে ও মেয়েদের মধ্যো সম্পর্কের বিষয়ে কৌতূহল সৃষ্টি হওয়া।


(ঘ)  বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হওয়া।


(ঙ) মানসিক পরিপক্বতায় পর্যায় শুরু হওয়া।


(চ) পরনির্ভরতার মনোভাব পরিবর্তিত হয়ে আত্মনির্ভর হওয়ার পর্যায় শুরু হওয়া।










[img id=1615]
[h2]আচরণগত পরিবর্তনঃ[/h2]


(ক) প্রাপ্তবয়স্কদের মতাে আচরণ করা


(খ) সে যে একজন আলাদা ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে এ বিষয়টি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা ।


(গ) প্রত্যেক বিষয়ে নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা


(ঘ) দুঃসাহসিক ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে প্রবৃত্ত হওয়া।


আজকে আর নয়।
বয়ঃসন্ধিকালের আরো অনেক বিষয় তুলে ধরব আপনাদের সামনে এই সাইটেই।
তবে আজকের মতো এখানেই বিদায় নিতে হচ্ছে
[end]
Posted on 2 Comments

এখন থেকে ব‌ই কিনে নয় , ব‌ই ডাউনলোড করে পড়ুন !

হ্যালো বন্ধুরা,

আজ আমি ব‌ইপোকাদের জন্য নিয়ে এসেছি PDF ব‌ই ডাউনলোড করার জন্য বেস্ট ওয়েবসাইট ।এই ওয়েবসাইটে থেকে আপনি খুব সহজে ব‌ই ডাউনলোড করতে পারবেন ।

Click Here

link কাজ না করলে ব্রাউজার এ টাইপ করুন amarbooks.com
এইলিংকে ক্লিক করলে আপনাকে ব‌ই ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট এ নিয়ে যাবে।

[img id=1241]
[img id=1242]
[img id=1237]
দেখতেই পাচ্ছেন কতগুলো ব‌ই ।এগুলোর সাইজ কম এবং পরিষ্কার লেখাগুলো বুঝা যায়।

[img id=1238]
এখানে আপনি বিভিন্ন লেখকের ব‌ই পড়তে পারবেন।
[img id=1239]
ধরূন আমি এই ব‌ইটি ডাউনলোড করবো তো ডাউনলোড করার জন্য আমাকে সেই ব‌ইয়ের উপর ক্লিক করতে হবে।

[img id=1240]
ক্লিক করার পর নিচে এ এই ফাঁকা জায়গায় উপরের কোডটি লিখে সাবমিট দিলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে ।যদিও অনেক ব‌ই ডাউনলোড করার সাইট আছে তবুও এই সাইট আমার কাছে বেস্ট তাই শেয়ার করলাম।

ধন্যবাদ

ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন