Posted on 1 Comment

৬০০০ mAH ব্যাটারির নতুন ফোন। এবার ফোনের চার্জ সহজে শেষ হবে না

আপনাদের মাঝে একটি নতুন ফোন রিভিউ নিয়ে এসেছি। মাত্র কয়েক মাস আগেই স্যামসাং নিয়ে
এসেছিল গ্যালাক্সি নোট ১০ এবং নোট
১০+। তারপরেও আরও নতুন চারটি নতুন
ডিভাইস ভারতের বাজারে নিয়ে এল এই
সংস্থা। উন্মোচিত হল স্যামসাংয়ের
M30 ।
[img id= 2235]

বুধবার সন্ধ্যা এই ফোন লঞ্চ করা
হয়েছে। সর্বপ্রথম ভারতের বাজারে এই M30 হল
প্রথম ফোন যাতে ৬০০০ এমএএইচ
ব্যাটারি রয়েছে। যার ফলে মনে করা
হচ্ছে বিশ্ব
বাজারে ক্রেতাদের মন টানার জন্য এই
ফোন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
[img id= 2236]

আসুস সংস্থাটিও ৬০০০ এমএএইচ
ব্যাটারোর ফোন আনবে এ মাসেই।
কিন্তু, তার থেকে স্যামসাংয়ের এই
ফোনের দাম অনেকটাই কম।
মধ্যবিত্তদের পকেটের কথা ভেবেই
আনা হয়েছে এই ফোন, যার ফলে আশা
করাই যায় বিশ্বে ফোনের বাজারে
অন্য সকল কোম্পানি গুলিকে বেশ কঠিন
প্রতিযোগিতার মুখে ফেলবে
স্যামসংয়ের এই নতুন ফোন।
যেখানে ক্রেতারা পাবে ৪ জিবি
র্যাম এবং ৬৪ জিবি স্টোরেজ। তবে
একটু বেশী মেমরি নিতে চাইলে দামের
পার্থক্য হবে সামান্যই। ৬ জিবি র্যাম
এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজে পাওয়া যাবে
[img id= 2237]

ফোনের বৈশিষ্ট্য এক ঝলকে দেখে
নেওয়া যাক-
এই ফোনে থাকছে ৬.৪ ইঞ্চি সুপার
অ্যামোলেড ইনফিনিটি ইউ ডিসপ্লে,
তার সঙ্গে থাকছে ৯৬১১ প্রসেসর। আরও
থাকছে আপগ্রেডেড ৯৬১০ এসওসি। যা
আগের সপ্তাহে স্যামসং গ্যালাক্সি এ
৫০ এস লঞ্চ করার সঙ্গে আনা হয়েছিল
সামনে। তা ছাড়াও এই ফোনে থাকছে
৬০০০ এমএএইচ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি।
এ ছাড়াও এই ফোনের পিছনে থাকছে
তিনটি ক্যামেরা। সঙ্গে রেয়ার
মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। যা
ফোনের নিরাপত্তার দিকটাও খেয়াল
রাখবে । ক্যামেরা থাকছে ৪৮
মেগাপিক্সেলের। প্রাইমারি
ক্যামেরা তার সঙ্গে এফ/২.০ লেন্স।
এছাড়াও ৫.০ মেগাপিক্সেল ডেপ্থ
সেন্সর এবং এফ/২.২ অ্যাপারচার।
এছাড়াও থাকছে ৮ মেগাপিক্সেল
সুপার ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স তার সঙ্গে
এফ ২.২ অ্যাপারচার। সেলফির জন্য
থাকছে ২৪ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট
ক্যামেরা।

পোস্টটি পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

Posted on Leave a comment

৪৮ মেগাপিক্সেলের Samsung এর অসাধারন একটি ডিভাইস

হাই বন্ধুরা কেমন আছেন? নিশ্চয় ভালো। আজ আপনাদের সামনে আমি একটি ফোন রিভিউ নিয়ে এসেছি। ফোনটির বিশেষ সুবিধা এতে বিশাল বড় ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেল রয়েছে। তাই এতে ছবি হবে নিখুত এবং সেলফি সহ মেইন ক্যামেরায় দ্রুতগতি ছবি তোলা সম্ভব। এতে ১ সেকেন্ডের কম সময়ে ছবি তোলার ফিচার রয়েছে। ফোনটি সম্পর্কে বিস্তারিত নিচে:

[img id = 2241]
Samsung Galaxy A50s ফোনে থাকছে 6.4 ইঞ্চি AMOLED ডিসপ্লে।
Samsung Galaxy A50s ফোনে ৪৮ মেগাপিক্সেল
ক্যামেরা থাকছে এবং
ফোনের ভিতরে ৪০০০ mAh ব্যাটারি
থাকছে।
Galaxy A50s ফোনের দাম 22,999 রুপী যা ভারতের দাম।
2019 সালের শুরুতে ভারতে Galaxy M
সিরিজ আর Galaxy A সিরিজ লঞ্চ
করেছিল Samsung। ভারতে চীনা
স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের চোটপাট রুখতে
নতুন এই ফোনগুলি লঞ্চ করেছিল দক্ষিণ
কোরিয়ার কোম্পানিটি। 8,000 রুপি
থেকে 20,000 রুপি দামের মধ্যে এই দুই
সিরিজে একের পর এক স্মার্টফোন লঞ্চ
করে সাফল্যের মুখ দেখেছে Samsung।
[img id = 2242]

সম্প্রতি Galaxy A50 ফোনের আপডেট
হিসাবে ভারতে লঞ্চ হয়েছে Samsung
Galaxy A50s। নতুন এই
Samsung Galaxy A50s এর দাম তাই 22,999
রুপি। Redmi K20 এর সাথে
প্রতিযোগিতায় এই ফোন লঞ্চ হয়েছে।
পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে লাইক দিতে
ভুলবেন না। পোস্টটি কেমন হয়েছে তা
কমেন্টএ জানান।
তাহলে ভাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
TwiceBD.Com এর সাথে থাকুন । আর এই সাইট
যদি ভালো লাগে আপনার বন্ধুদের জানাবেন
। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

Posted on Leave a comment

কম দামের ফোন মাএ ৭হাজার ৮৯০ টাকার

গ্লোবাল মোবাইল ব্র্যান্ড আইটেল বিশ্বব্যাপী খুব ভালো দাপট দেখাচ্ছে তাদের পণ্যের গুণগত মান দিয়ে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বাজারেও খুব ভালো একটি স্থান দখল করে নিয়েছে আইটেল। [img id=1933]সাশ্রয়ী বাজেটে ভালো ফোন ও ভালো ফিচার অফার করায় আইটেল এন্ট্রি লেভেলের ক্রেতাদের কাছে খুব জনপ্রিয় একটি নাম।
এরই ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকতে এবারও আইটেল নিয়ে এলো তাদের নতুন ফোন আইটেল এস১৫ প্রো। এটি আইটেলের প্রথম ডট নচ ডিসপ্লে ফোন আর সঙ্গে আছে দারুণ সব ফিচার। স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ২.৫ ডি কার্ভের ৬.১ ইঞ্চি এইচডি + আইপিএস ওয়াটারড্রপ ফুল স্ক্রিন ডিসপ্লে, ক্যমেরা হচ্ছে ১৬ মেগাপিক্সেল যা ৪ ইন ১ বিগ পিক্সেল প্রযুক্তির। ক্যামেরায় রয়েছে এআই বিউটি মোড ৩.০, যা আপনার চেহারার আকর্ষণীয় দিক আরো ফুটিয়ে তুলবে।
মোবাইলটির পেছনে আছে ট্রিপল এআই ক্যামেরা। ৮ মেগাপিক্সেল ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরার সঙ্গে আছে ফ্ল্যাশলাইট। আর এর বিশেষ ‘প্রো মোড’ থাকার কারণে ছবি তোলার ক্ষেত্রে যোগ হয় নতুন মাত্রা।
সিকিউরিটির জন্য রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেনসর, যা ফোনটি মাত্র ০.২ সেকেন্ডের মধ্যে আনলক করে।
ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ৯ পাই, এবং ২ জিবি র্যাম + ৩২ জিবি রম, যা ১২৮ গিগাবাইট পর্যন্ত এক্সটেন্ড করা যায়। এছাড়াও রয়েছে ১.৬ গিগাহার্জের অক্টাকোর প্রসেসর, ৩০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিসহ অন্যান্য আপগ্রেডেড বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪জি ইন্টারনেট সংযোগ এআই পাওয়ার মাস্টার, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্মার্টফোনে শক্তি সংরক্ষণ করে। দারুণ সব ফিচার দিয়ে ইতিমধ্যে বাজারে সাড়া ফেলেছে। ফোনটির অফিশিয়াল দাম ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৮৯০ টাকা।[img id=1933]

Posted on 2 Comments

Vivo S1 Review এর সম্পূর্ণ বাংলা রিভউ

Vivo S1 হ’ল বাজারের নতুন সেলফি কেন্দ্রিক স্মার্টফোন যার বুদ্ধিমান ডিজাইনও রয়েছে।
শাওমি এবং রিয়েলমের সাথে প্রতিযোগিতা করার পক্ষে কি যথেষ্ট ? তাই আজকে জানব
সাথে আছি আমি হৃদয় চলুন ভিভোর এই নতুন স্মার্টফোনটি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক ।

ডিজাইন

ডুয়াল-টোন ফিনিস দিয়ে শুরু হয় যার লক্ষ্য প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসে গ্রেডিয়েন্ট ফিনিসটি নতুন নয়।
স্মার্টফোনটিতে সবুজ-নীল এবং বেগুনি-নীল রঙের মধ্যে বিভাজনগুলি সহ একটি ধাতব ফ্রেম রয়েছে।
স্মার্টফোন নির্মাতারা ডিভাইসের পিছনে এমন অদ্ভুত নিদর্শনগুলি দেওয়ার চেষ্টা করে,যা ব্যতিক্রমী দেখায়।
ভিভো ভালভাবে নকশাকৃত ডিভাইস তৈরি করতে তার ব্যবস্থার সমস্ত স্থান ব্যবহার করেছে।
আসল ফিচারটি ডিভাইসের পিছনে রয়েছে। Diamond Black, Skyline Blue, Cosmic Green এই তিনটি কালারে
ফোনটি দেখতে just asoweome লেগেছে আমার কাছে।

এটি পৃষ্ঠ থেকে আলো প্রতিফলিত আলোর উপর নির্ভর করে কালো থেকে নীল থেকে সবুজ পর্যন্ত বর্ণের
সংমিশ্রণ প্রতিফলিত করে। কেউ তর্ক করতে পারে যে তারা প্রতিযোগিতামূলক ডিভাইসে একই ধরণের নকশা দেখেছিল।
তবে ভিভোর ডিজাইনারদের এই নকশাটি আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে আইডিয়া ছিল।
পিছনের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি একটি হীরা জালির মতো দেখতে। আপনি কীভাবে ডিভাইসটি ধরে রাখছেন
তার উপর নির্ভর করে এটি হীরার নিদর্শনগুলি প্রতিবিম্বিত করে যা আকার এবং মাত্রায় পরিবর্তিত হয়।
এই ডিজাইনের সর্বাধিক সাধারণ প্রতিক্রিয়া ছিল "ওয়াও" এবং আমি সত্যিই প্রশংসা করি যে ডিজাইনটি এত
বুদ্ধিমান পদ্ধতিতে বিকশিত হচ্ছে।


  • বেশিরভাগ ক্রিয়া ভিভো এস ১ এর পিছনে রয়েছে।
  • পিছনে একটি ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ এবং এলইডি ফ্ল্যাশ রয়েছে।
  • ক্যামেরা মডিউলটির সাথে রয়েছে “এআই ট্রিপল ক্যামেরা” ব্র্যান্ডিং।
  • শেষের দিকে, সোনার রঙেও একটি বড় ভিভো ব্র্যান্ডিং রয়েছে।
  • সামনের দিকে 6.38 ইঞ্চি ডিসপ্লে এবং 32-মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা রয়েছে।
  • ডানদিকে ভলিউম রকার এবং পাওয়ার বোতাম রয়েছে বামদিকে,
    একটি সিম কার্ড ট্রে এবং গুগল সহকারী বোতাম রয়েছে।

ডিসপ্লে

Vivo S1 তে 6.38-ইঞ্চি ডিসপ্লে রয়েছে এবং এটি ইউ-শেপড সহ একটি সুপার অ্যামোলেড প্যানেল ব্যবহার করে।
প্যানেলটি 2340 x 1080 পিক্সেল এবং 19.5: 9 টির অনুপাতের ফুল এইচডি + রেজোলিউশন সমর্থন করে।
ভিভো মূলত ইন-স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর সক্ষম করতে অ্যামোলেড প্যানেলটি ব্যবহার করছে।
এই মূল্য বিভাগে প্রদর্শিত এলসিডি প্যানেল থেকে প্রদর্শনটি একটি চিহ্নিত উন্নতি।
অ্যামোলেড প্যানেলের সাহায্যে আপনি আরও ভাল রঙ, তীক্ষ্ণ বিবরণ, গভীর কালো এবং সর্বদা অন ডিসপ্লে পাবেন।
আমার মতে এস 1 এর প্রদর্শনটি সত্যই উজ্জ্বল হতে পারে যা গেম অফ থ্রোনসের সেই অন্ধকারতম পর্বটি দেখার জন্য
দুর্দান্ত করে তুলেছে।

ক্যামেরা

ভিভো এস 1 অবশ্যই একটি দুর্দান্ত চেহারার স্মার্টফোন তবে এর অন্যান্য হাইলাইটগুলির মধ্যে একটি হ’ল
32-মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা।
সেলফি তোলার জন্য 32-মেগাপিক্সেল ক্যামেরা বৈশিষ্ট্যযুক্ত এটি দেশের সর্বাধিক সস্তা স্মার্টফোনগুলির মধ্যে একটি।
সেন্সরটি f / 2.0 এর অ্যাপারচার সহ একটি লেন্সের পিছনে রাখা হয় এবং স্বল্প-আলো পরিস্থিতিতে দৃশ্যে স্ক্রিন ফ্ল্যাশ ব্যবহার করে।
আমি এটি ভালো বা খারাপ বলছি না, এটি ঠিক যে অ্যালগরিদম চিত্রটিকে কিছুটা কনট্রাস তীব্র করে তোলে।
কেউ কেউ এই ফলাফলটিকে পছন্দ করতে পারে যা আপনাকে আরও কম বয়সী দেখায় । পিছনের দিকে, গল্পটি সম্পূর্ণ আলাদা। প্রশস্ত f/1.8 অ্যাপারচার সহ প্রাথমিক 16 MP ক্যামেরা রয়েছে।
এটি একটি 8 MP আল্ট্রা ওয়াইড-এঙ্গেল ক্যামেরা এবং গভীরতার জন্য 2-MP ক্যামেরা যুক্ত রয়েছে।
তিনটির মধ্যে প্রাথমিক ক্যামেরাটি এখানে সর্বাধিক বহুমুখী।
এটি কেবল বৃহত্তর অ্যাপারচারকে ধন্যবাদ দিয়ে দুর্দান্ত বিবরণ দেয় না, তবে এটির তীক্ষ্ণতম হওয়া পর্যন্ত শেষ হয়।
চিত্রগুলি হাইলাইট অঞ্চলে দুর্দান্ত বিশদ সরবরাহ করে তবে ।
মূল ক্যামেরাটি আল্ট্রাওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরার চেয়ে ভালো ডিটেইল ধরে রাখে।

স্মার্টফোন ইমেজিং অভিজ্ঞতার জন্য আলট্রাওয়াইড ক্যামেরাগুলি নতুন আই-ক্যান্ডি বা ফিশ আই হয়ে উঠেছে।
তবে ভিভো এস 1 এ, মোবাইল ডিভাইসে এটি সেরা অভিজ্ঞতা পাবেন না । চিত্রগুলি প্রশস্ত কিন্তু বেশিরভাগ
অংশের জন্য নিঃশব্দ দেখাচ্ছে। f/2.2 অ্যাপারচারে ক্যামেরা প্রচুর বিবরণ ক্যাপচার করতে লড়াই করে।
গভীরতা সেন্সর চিত্রগুলিতে অ্যাডজাস্টযোগ্য বোকেহ যুক্ত করার কৌশল করে তবে সেরা ফলাফল পেতে আপনাকে
নিজের অবস্থান ভাল করে নেওয়া উচিত।
ভিভো এস 1 কিনলে বেশিরভাগ লোক প্রাথমিক ক্যামেরা দিয়ে শুটিং করবেন।
এই প্রধান ক্যামেরা হতাশ করে না এবং এটিই আসল সুসংবাদ।
আপাতত আমি আমার ইমেজিংয়ের জন্য 16-মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরাটি বিশেষ বলতে পারি।

পারফর্মমেন্স

ভিভো এস 1 হ'ল মিডিয়াটেক হেলিও P65 সহ অভিষেক হওয়া প্রথম স্মার্টফোন। এটি একটি অক্টা-কোর প্রসেসর যার দুটি পারফরম্যান্স কর্টেক্স A75৫ কোরের
2.0GHz এ দাঁড়িয়েছে। চিপসেটটি ছয় দক্ষতার কর্টেক্স A55 কোর দ্বারা সহায়তাযুক্ত 1.7 গিগাহার্টজ।
এই কোরগুলি এআরএম মালি-জি 52 গ্রাফিক্স প্রসেসরের পাশাপাশি একটি একক, অক্টা-কোর কনফিগারেশনে রাখা হয়েছে।
স্মার্টফোনটি তিনটি ভিন্ন স্টোরেজ ভেরিয়েন্টে সরবরাহ করা হয়েছে।
6 গিগাবাইট র‌্যাম এবং 128 গিগাবাইট অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ সহ লাইন মডেলের শীর্ষে।
এটিতে একটি ডেডিকেটেড মাইক্রোএসডি কার্ড স্লট রয়েছে যা 256 জিবি পর্যন্ত কার্ডগুলিকে সমর্থন করে।

ফোনটি আপনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেসিক অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তখন ভাল কাজ করে।
আপনি যখন ফোন কল, টেক্সট বার্তা, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মতো কাজ করেন তখন
এটি একটি মসৃণ অপারেটর। এটি কোনও ঘাম ছাড়াই হটস্টার, ইউটিউব এবং নেটফ্লিক্সের মতো ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলি
পরিচালনা করে।  Asphalt 9 খেলাতে কোন সমস্যা হবে না। পাবজি হাই গ্রাফিক্স এ একটু ভিন্ন রকম লাগতে পারে।
ডিভাইসটি দ্রুত গরম হতে শুরু করে এবং গ্রাফিকগুলি নিম্ন সেটিংয়ে নেমে যায়।
মিডিয়াটেকের মিড-রেঞ্জের চিপসেটগুলি কার্যত পারফরম্যান্স গেমিংয়ের জন্য পরিচিত নয় এবং এটি
ক্যাজুয়াল গেমিংয়ের জন্য আরও ভাল। কেউ এমনকি নিম্ন সেটিং এ পাবজি মোবাইল খেলতে পারে তবে এর অর্থ কিছুটা আপস করা হবে।
ভিভো আল্ট্রা গেম মোড নামে একটি ডেডিকেটেড গেমিং মোড যুক্ত করেছে। এটি আপনাকে গেমস খেলার সময় বিজ্ঞপ্তিগুলি অবরোধ করতে
এবং স্বয়ংক্রিয় ওয়াইফাই সংযোগটি অক্ষম করতে দেয়। দুর্ঘটনাজনিত ছোঁয়া প্রতিরোধ করতে এবং আগত কলগুলি প্রত্যাখ্যান করতেও সফ্টওয়্যারটি কনফিগার
করা যেতে পারে। এটি একটি খুব দরকারী সরঞ্জাম যা প্রতিদ্বন্দ্বী ডিভাইসে গেম টার্বো আকারে উপলব্ধ।

আর কি কি রয়েছে এতে :
  • Battery capacity
    4500 mAh

    যা হেভি ইউজে ভালো ভাবেই 12-14 ঘন্টা ব্যাকআপ পেতে পারবেন।

  • Fast battery charging 18W
  • Fingerprint (under display), বেশ দ্রুত আমার কাছে মনে হলো।
  • Android 9.0 (Pie); Funtouch 9
  • দাম : ৳ 28,990

এই ছিল আজকের ভিভোর এস 7
কেমন লেগেছে জানাবেন ।
ভালো থাকুন সবসময় হাসি ‍খুশি থাকতে চেষ্টা করুন।

ধন্যবাদ।



Posted on Leave a comment

Walton Primo R6 Max ৳ ১০,৯৯৯ টাকার মধ্যে সত্যিই কি সেরা ফোন ?

কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন ।

আমি হৃদয় আজকে আপনাদের সামনে হাজির হলাম নতুন একটি স্মার্টফোন রিভিউ নিয়ে।

যা walton primo R6 Max কে নিয়ে চলুন শুরু করা যাক ।

[img id=897]

ডিজাইন এন্ড বিল্ড কোয়ালিটি

172 g  ওজনের সম্পূর্ণ প্লাস্টিক বিল্ড মোবাইলটি 6.26 inches ডিসপ্লে নিয়ে আসল। প্লস্টিক বিল্ড হওয়ায় যা অনেক টাই সাবধানতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। তবে অনেক ফোন আছে যা প্লাস্টিক বিল্ড হলেও দেখতে অনেক প্রিমিয়াম ফিল দেয় তাদের গ্রেডিয়েন্ট কালার এর সাথে তবে এই ফোনে এমন কোন বেপার নেই ব্লু কালার টা নিতে পারেন কালো টা একদমই বাজে দেখায় 🙁

~88% screen-to-body ratio যার ফলে ব্যজেল এবং চিন এরিয়া ছিল অনেকটাই কম যা এই প্রাইসে ভালো একটি দিক তবে  মোবাইটি অনেক মোটা মনে হয়েছে আমার কাছে (8.5 mm) যার কারণ এর বেটারী 4000 mAh

পাচ্ছেন 3.5mm jack যা রয়েছে উপরের দিকে চার্জার পোর্ট পাবেন ফোনটির  নিচের দিকে।

বক্স এ একটি প্লাস্টিক ব্যাক কভার দেওয়া থাকবে যা ব্যবহারের জন্য পারামর্শ দেব কেননা ফোনটিতে অনেক স্ক্যার্চ পড়ে যায় খুব সহজে। ওভার অল এটি একটি মোটাসুটা বড় ফোন নিতে পারেন তবে ভাবতে হবে।

ডিসপ্লে

এতে পাচ্ছেন 6:26 ইঞ্চির IPS LCD U-Notch HD capacitive touchscreen ডিসপ্লে যার

Resolution
720 x 1520 pixels
এবং পিক্সেল density      ~271 ppi
আজব ব্যপার ১০৫০০/- টাকার ফোনে IPS ডিসপ্লে তাও আবার 271 ppi
নেই কোন ডিসপ্লে প্রোটেকশন থাকছে চিরাচরিত 2.5D Curved Display…
তবে প্রাইস রেঞ্জ চিন্তা করে একটু কমপ্রোমাইজ করতে পারেন। আরোও পাচ্ছেন
  • capacitive
  • multi-tuch
  • Scratch resistant

ক্যামেরা

CMOS BSI sensor সমৃদ্ধ দুটি ব্যাক ক্যামেরা যার একটি মেইন ক্যামেরা 13 MP, এবং এর এপারেচার f/2.0 লো- লেভেল এর

এবং দ্বিতীয় টি  2 MP, এর এপারেচার টি একটু ভালো  f/2.2, depth sensor

পিছনের ক্যামেরা পারফর্মেন্স আগের তুলনায় একটু ভালো তবে এই প্রাইসে এর চেয়ে ভালো ক্যামেরা অফার করছে অন্য ফোন গুলো।

সামনের দিকে থাকছে একটি  8 MP সেলফি সুটার যা দিয়ে ছবি তোলা যাবে ।

দুটি ক্যামেরাই মোটামুটি ভালো ছবি প্রডউস করে নিতে পারেন কোন সমস্যা নেই। তবে  এই প্রাইসে অন্যা্ন্য ফোন আরো ভালো ক্যামেরা পাবেন (REDMI 6)

 

  • Video
    পিছনের টাতে 1080p এ 30fps (2.07MP)
    720p@30fps (2MP)

 

তবে একটি কথা এই BSI প্রযুক্তি আমার কাছে প্রথম থেকেই ভালো লাগে নি আর লাগবে কিনা বুঝতে পারছিনা। যাইহোক যার যার ব্যক্তিগত মতামমত।[img id=898]

ফোনটির বিশেষ দিক

 

  • OS
    Android 9. (Pie)
  • RAM
    3 GB (এটি একটি ভালো দিক)
  • Card slot
    microSD, up to 128 GB
  • Internal
    32 GB (এতে করে আপনারা ৩২ জিবি এর জায়গায় ২০ জিবি ব্যবহার করতে পারবেন)
  • Chipset
    ARM Cortex-A55 কোন প্রসেসর তা জানা যায়নি
  • CPU
    1.6 GHz Octa-core
  • GPU
    PowerVR GE8322

    এর সাহায্য পাবজি খেলতে হলে গভীর অধ্যবসায় লাগবে রে ভাই বাদ দেন আমার নাই।

  • Dual 4G Supported তবে তা নোটিফিকেশন বারে এত বড় বড় কেন আজব।

পিছনের দিকে পাবেন একটা  Fingerprint সেন্সর যা একবারেই মাথা নষ্ট করার মত কাহীনি করে এত স্লো যা অন্য কোন ফোনে আমি দেখি নাই এটা হাস্যকর !! তবে ফেইস আনলকটা সফটওয়ার বেইজ হওয়ায় মোটামুটি ভালোই ।

 

  • Battery capacity
    4000 mAh যার দ্বারা একদিন চলে যাবে আরামসে।

 

 

  • Color
    Black, Blue

আর কিছু নাই ।

তাকলেও হতাশা ছাড়া কিছু নাই । যারা কিনবেন ভেবেছিলেন তাদের জন্য সমবেদনা। দয়া করে কিনবেন না। একটু অপেক্ষা করুন আরও ভালো ফোন পাবেন।

আজ এই পর্যন্তই নতুন কোন ফোন আপডেট পেতে কমেন্ট করুন আর কোন জিজ্ঞাসা থাকলেও কমেন্ট করতে পারেন।

 


ধন্যবাদ