Posted on 1 Comment

Play Store এর কিছু অ্যাপ যেগুলো চুরি করতে পারে আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য।

[h2][start][/h2]
আসসালামু আলাইকুম,,,,,,,,,,,,,,,
আশা করি ভালো আছেন?
আমিও ভালো আছি।
তো আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো


Play Store এর কিছু অ্যাপ যেগুলো চুরি করতে পারে আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য।

পোস্ট

গুগল প্লেস্টোরে ১৭২টি ক্ষতিকর প্রোগ্রামযুক্ত অ্যাপের খোঁজ পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এসব অ্যাপ ৩ কোটি ৩৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড হয়েছে।

ইসেটের গবেষক লুকাস স্টেফাঙ্কো বলেন, গুগল প্লেস্টোরে থাকা ক্ষতিকর ১৭২টি অ্যাপে অ্যাডওয়্যার পাওয়া গেছে। এসব অ্যাডওয়্যার ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে ব্যবহারকারীর তথ্য চুরিসহ নানা ক্ষতি করতে পারে। সাইবার দুর্বৃত্তরা এসব ক্ষতিকর অ্যাপ কাজে লাগিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতে পারে।

অ্যাপগুলো হলো

*বিচ ক্যামেরা
-মিনি ক্যামেরা
-সার্টেন ওয়ালপেপার
-রেডওয়ার্ড ক্লিন
-এজ ফেস
-অল্টার মেসেজ
-সবি ক্যামেরা
-ডিক্লেয়ার মেসেজ
-ডিসপ্লে ক্যামেরা
-র‍্যাপিড ফেস স্ক্যানার
-লিফ ফেস স্ক্যানার
-ব্রড পিকচার এডিটিং
-কিউট ক্যামেরা
-ড্যাজল ওয়ালপেপার
-স্পার্ক ওয়ালপেপার
-ক্লাইমেট এসএমএস
-গ্রেট ভিপিএন
-হিউমার ক্যামেরা
-প্রিন্ট প্ল্যান স্ক্যান
ইতিমধ্যেই এই অ্যাপ গুলোর মধ্যে কিছু অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ডিলিট করা হয়েছে।
যদি আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য রক্ষা করতে চান এখনই ডিলিট করুন।নাহলে এই অ্যাপ গুলোর পরের শিকার হবেন আপনি।

Note

এই পোস্টটি BBC তে কিছুটা অন্য রকম করে দেওয়া হয়েছে।আমারটা ও বিবিসির টা আলাদা।

Notice

যদি পোস্টে কোনো ভুল ত্রুটি থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।
আর পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে একটা লাইক দিয়ে আসুন।
পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Posted on Leave a comment

জানেন কি ২০৫০ সালের স্মার্টফোন গুলো কেমন হবে? কিছু ধারনা নিয়ে নিন।

[h2][start][/h2]
আসসালামু আলাইকুম,,,,,,,,,,,,,,,
আশা করি ভালো আছেন?
আমিও ভালো আছি।
তো আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো


২০৫০ সালে কি রকম স্মার্ট ফোন থাকবে।

অকল্পনীয় ব্যাটারি লাইফ

সামনের স্মার্টফোন গুলোতে সবচাইতে উল্লেখ্যযোগ্য পার্থক্য আসতে চলেছে, আর সেটা হচ্ছে ব্যাটারি লাইফ। হ্যাঁ, আজকের ফোন গুলো অনেক উন্নত কিন্তু ব্যাটারি লাইফ এতোটাও উন্নত নয়। এমন হলে কেমন হবে, যদি পুরো সপ্তাহ বা পুরো মাস ব্যাটারি ব্যাকআপ দেয় বিনা চার্জ করে! আবার চার্জ করার সময় হয়তো ২-৫ সেকেন্ড প্রয়োজনীয় হতে পারে। এখন আমাদের কাছে ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি রয়েছে, কিন্তু সামনের দশ থেকে বিশ বছরে হয়তো সুপার ক্যাপাসিটারস্মার্টফোনে যুক্ত হয়ে যাবে ফলে ৫ সেকেন্ডের বেশি সময় লাগবে না স্মার্টফোনকে চার্জ করতে। আজকের ব্যাটারি টেকনোলজি ব্যবহার করে ৭ দিন বা ৩০ দিন একটানা চার্জ ধরে রাখা সম্ভব নয়, কিন্তু সামনে আশা করা যায় সম্পূর্ণ নতুন ব্যাটারি টেকনোলজি আমাদের সামনে চলে আসবে।

মোড়ানো স্ক্রীন

যদি কথা বলি ভবিষ্যৎ ফোনের স্ক্রীন টেকনোলজি নিয়ে তো অবশ্যই নতুন কোন প্রযুক্তি আসতে চলেছে যেটা অসাধারণ ডিসপ্লে কোয়ালিটি দিতে সক্ষম হবে। আজ থেকে দশ বা বিশ বছর পরে নয়, অবশ্যই কয়েক বছরের মধ্যেই প্রত্যেকটি ফোনে ওলেড স্ক্রীন ব্যবহার হওয়াটা একটি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে দাঁড়াবে। স্ক্রীনে প্রচণ্ড হাই রিফ্রেশ রেট থাকবে, হতে পারে ১০০০ হার্জ। আর হাই রিফ্রেশ রেট অর্জন করার জন্য অবশ্যই ওলেড স্ক্রীন প্রয়োজন পড়বে, কেনোনা ওলেড হাই রিফ্রেশ রেট অর্জন করার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত!

সাথে ফোন গুলোর সাথে মোড়ানো ডিসপ্লে ফিচার থাকতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে হয়তো ফোনটির ডিসপ্লে কয়েকটি পার্টে ফোল্ড করা থাকবে, এতে আপনি এই অবস্থাতেই সাধারণ ইউজ করতে পারবেন। কিন্তু যখন বড় স্ক্রীন প্রয়োজনীয় হবে, জাস্ট ফোল্ড গুলো সরিয়ে স্ক্রীনকে বড় করে নিতে পারবেন। আর বড় স্ক্রীনের কতো সুবিধা থাকতে পারে সেগুলো নিশ্চয় বর্ণনা করার প্রয়োজন নেই, এক্সট্রা সুবিধা হিসেবে ফোনটিকে আবার মুরিয়ে পকেটে নিয়ে নিতে পারবেন।

সাথে হয়তো আজকের মতো স্ক্রীন থাকবেই না ফিউচার ফোন গুলোতে। হতে পারে ফোনের মেন্যু সরাসরি হাওয়াতে ভেসে বেড় হবে। হ্যাঁ, আমি রিয়াল হলোগ্রাফিক স্ক্রীনের কথা বলছি, যেখানে স্ক্রীন থেকে যেকোনো কিছু হলোগ্রাম হয়ে বেড় হয়ে আসবে। হতে পারে ফোনের সাথে আলাদা কোন ডিভাইজ থাকবে যেটা ছাদে সেট করা থাকতে পারে, এতে আপনি হলোগ্রাফিক ভার্সনে কারো সাথে ভিডিও কল করতে পারবেন। সে ব্যক্তিটি জাস্ট আপনার ফোনের স্ক্রীন থেকে বেড় হয়ে আসবে, এবং আপনার কাছে সমস্ত কিছু ব্যাস্তব মনে হবে। সাথে ডিসপ্লে এমন কোন ম্যাটেরিয়াল দ্বারা তৈরি করা হতে পারে, যেটাতে দাগ ফেলা বা ডিসপ্লে ভাঙ্গা অসম্ভব হয়ে যাবে।
তখন হয়ত আমদের বর্তমান মোবাইল গুলো বা আইফোন এক্স এর দাম এখন যেই রকম সব চেয়ে কমদামি ফোনের সেই রকম দাম থাকবে।তো হয়ত আমরা সেই পর্যন্ত বেচে থাকব না।তাই হয়ত আমাদের সেগুলো দেখাও হবে না।

Notice

যদি পোস্টে কোনো ভুল ত্রুটি থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।
আর পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে একটা লাইক দিয়ে আসুন।
পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Posted on Leave a comment

Logo ডিজাইনাররা ডাউনলোড করে নিন ৮০টি লগো স্টিকারের সাথে একটি জিপ

সালামু আলাইকুম,

WapCode
এর পক্ষ থেকে আবারো জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুস্বাগতম 💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐

আজকে আমি আপনাদের সাথে আরো কিছু স্টিকার শেয়ার করবো । তো আজকে আপনাদের আমি একটা জিপ ফাইল দেবো ওইটা এক্সট্রাক্ট করলে দেখবেন ৮০ টা স্টিকার।

Zip Details

-Zip Name:Sticker A-80
-Zip Size:1.67(MB)
-Password:sticker80
-Download:Click Here

Demo Sticker




























আজ এইটুকুই। আশা করি আপনি সেই পর্যন্ত সুস্থ থাকবেন।
ভালো থাকুন।
সুস্থ থাকুন ধন্যবাদ।

Posted on Leave a comment

সকালে পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন ! জেনে নিন এর উপকারিতা⛲

হ্যালো বন্ধুরা ,

পানি সবাই পান করে থাকি । কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না ঠিক কখন আমাদের পানি পান করতে হবে ।আজ বলবো সকালে পানি পান করার উপকারীতা সম্পর্কে!
[img id=2417]
প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে পানি পান করা খুবই জরুরি। তবে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এ অভ্যাসটি যদি রপ্ত করা যায় তবে অনেক ধরনের রোগ থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা যায়। আর এজন্যই দিনের শুরুর এই এক গ্লাস পানিকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা ‘স্বাস্থ্যকর’, ‘বিশুদ্ধ’, ‘সুন্দর’ ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করে থাকেন।



আসুন জেনে নেই সকালে খালি পেঠে পানি খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে।
[img id=2416]
১. রাতে ঘুমানোর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস পানি খেয়ে নেয়া উচিত।

২. প্রতিদিন সকালে অন্তত ১৬ আউন্স হালকা গরম পানি খেলে শরীরের মেটাবলিসম ২৪% বেড়ে যায় এবং শরীরের ওজন কমে।

৩. সকালে প্রতিদিন খালি পেটে পানি খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।

৪. প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে এক গ্লাস পানি খেলে নতুন মাংসপেশী ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

৫. প্রতিদিন সকালে মাত্র এক গ্লাস পানি খেলে বমি ভাব, গলার সমস্যা, মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা, আর্থাইটিস, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অসুখ কমাতে সহায়তা করে।

৬. প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে পানি খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয়ে যায় এবং শরীর নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে সহজেই।

৭. সকালে পানির বদলে জুস বা অন্য পানীয় না খাওয়াই শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

ধন্যবাদ

ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন

Posted on Leave a comment

জেনে নিন কোন খাবার গুলো সকালে খালি পেটে খেলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হয়।

[img id=1650]

[start]

তো আজকের বিষয়টি হলো,

কোন খাবার গুলো সকালে খালি পেটে খাওয়া ঠিক নয়।

[img id=2084]
অনেকের সকালে ঘুম থেকে উঠে খিদে লেগে যায়। তড়িঘড়ি করে সামনে যা পান তা-ই খেয়ে ফেলেন। কিন্তু কোনো বাছবিচার না করেই খাবার খাওয়া শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমন কয়েকটি খাবার আছে যা সকালে খালি পেটে ভুলেও খাওয়া ঠিক নয়। দেখে নেই সেই খাবারগুলি কী।



[h2]কলা.[/h2]

কলা: সকালে একেবারে খালি পেটে কলা খাওয়া ঠিক নয়। হজমসহায়ক কলায় রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম। খালি পেটে কলা খেলে এসব উপাদান রক্তে অন্য উপাদানগুলোর মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট করে। যা হৃৎপিণ্ড ও রক্তের ধমনির জন্য ক্ষতিকর।



[h2]টমেটো.[/h2]

টমেটো খালি পেটে একদম ঠিক নয়। পুষ্টিগুণে ভরপুর টমেটোর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পেকটিন ও ট্যানিক অ্যাসিড। খালি পেটে টমেটো খেলে পেকটিন ও ট্যানিক অ্যাসিডের সঙ্গে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের বিক্রিয়া ঘটে থাকে। এতে পাকস্থলীতে পাথর হয়। এ ছাড়া খালি পেটে টমেটো খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।



[h2]কমলা.[/h2]

খালি পেটে টকজাতীয় কিংবা ‘সাইট্রাস’ (কমলা) ধরনের ফল পরিহার করাই ভালো। টকজাতীয় ফল কমলায় প্রচুর অ্যাসিড থাকে। এতে পেট ও বুক জ্বালাপোড়া করে এবং গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়।



[h2]চা.[/h2]

খালি পেটে চা খেলে শরীরে সেরাটোনিনের কমতি ঘটায়, ফলে সারা দিন মন-মেজাজ খারাপ থাকতে পারে। খালি পেটে চা খেলে বুকের মধ্যে জ্বালাপোড়া সৃষ্টির পাশাপাশি হজমেও ব্যাঘাত ঘটায়। চা গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরণের মাত্রা বাড়ায়। এতে হজমপ্রক্রিয়ায় অসুবিধা হয় এবং গ্যাসের উদ্রেক ঘটে।



[h2]দই.[/h2]

খালি পেটে দুগ্ধজাত খাবার না খাওয়াই ভালো। দই খালি পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড তৈরি করে। এতে অ্যাসিডিটির সৃষ্টি হয়।



[h2]ঝাল মাংস.[/h2]

অনেকে সকালে ঝাল মাংস খান। তবে পেট খালি থাকলে বেশি ঝাল খাবার থেকে দূরে থাকা নিরাপদ। ঝাল তরকারিতে অ্যাসিডিক বিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়, যা খালি পেটে অসহনীয় জ্বালাপোড়া তৈরি করে।



পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আজকের পোষ্টটা এই পর্যন্ত।

পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে লাইক দিতে ভুলবেন না।
পোস্টটি কেমন হয়েছে তা কমেন্টএ জানান।

আমার ইউটিউব চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ রইলো [url=https://www.youtube.com/channel/UC0l86nEyaVlFuvTcd-iAi4w?sub_confirmation=1]SUBSCRIBE[/url]


আমার ছোট একটা সাইটে একবার ঘুরে আসার জন্য আপনাদের আমন্ত্রণ করলাম
সাইটে যেতে [url=https://tricktownbd.blogspot.com]এখানে ক্লিক করুন[/url]


[end]

Posted on 1 Comment

[part-1]দেখে নিন ডায়াবেটিস রোগ কি? আর এই রোগের ৮টি লক্ষন?? এবং ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রন রাখার নিয়ম?

[start]

[img id=746]

[h2]ডায়াবেটিস রোগ কি??[/h2]


ডায়াবেটিস  হলো এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।

আমরা যখন কিছু খাই,এটি গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে। প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নিগত হয়,যেটি রক্তের এই গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্ত্রিত করে।

কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস প্রয়োজন মতো ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।

যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস ছোয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়। ডায়াবেটিস হৃদযন্ত্রের রক্তপ্রবাহ রোগের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে।
ডায়াবেটিসেআক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শকরার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙেগর, যমন হৃৎপিন্দ্ব,কিডনি,চোখ ইত্যাদির সাভাবিক কাজে বাধা গঠন করে। দেখা গেছে ডয়াবেটিস রোগিদের করোনারি হৃদরোগ হওয়ার প্রবনতা বেশি থাকে।

  এটি হৃৎপিডকে অচল করে দেয় এবং রোগি  ইস্তক হয়ে মারা যেতে পারে। এছাড়া  দীঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগ রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়।উচ্চ রক্তচাপ করোনারি হৃদরোগের পূবলক্ষণ। ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শকরার মাএা দীঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তাদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আসঙকা খুবই বেশি থাকে।

[h2]ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণ রাখার নিয়ম:[/h2]

ডায়াবেটিস প্রধানত তিনভাবে নিয়ন্ত্রন করা যায়।যথা:(ক)খাদ্য নিয়ন্ত্রণ(খ)ওষুধ সেবন এবং(গ)জীবন শৃঙখলা। 
[h2](ক)খাদ্য নিয়ন্ত্রণ: [/h2]
মোটা লোকেদের ডায়াবেটিস হলে তাদের ওজন সাভাবিক না হওয়া পযন্ত খাদ্যদ্রব্য ডাক্তারের পরামশ অনুযায়ী খেতে হবে। ডায়াবেটিস রোগিদের একটুু চিনি খাওয়া চলবে না। তাদের এমন খাবার খাওয়া ঊচিত,যা প্রোটিনসমৃদ্ধ।
[h2](খ) ওষধ সেবন:[/h2]
সব ডায়াবেটিস রোগীকেই খাদ্য নিয়ন্ত্রণ মেনে চলতে হয়।অনেক ক্ষেত্রে বয়স্ক রোদের এ দুটি নিয়ম যথাযথভাবে পালন করলে রোগ নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। কিন্তুু ইনসুলিননিভর রোগীদের ক্ষেএে উনসুলিন ইনজেকশনের দরকার হয়।

[h2](গ) জীবন শৃঙখলা:[/h2]
শৃঙখলা ডায়াবেটিস জীবন- কাঠি।তাকে এসব বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে:

১.নিয়মিত ও পরিমাণমতো সুষম খাবার খেতে হবে।

২.নিয়মিত ও পরিমাণমতো ব্যায়াম করতে হবে।

৩.নিয়মিত রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিমাপ করে এবং ফলাফল পযাবেক্ষণ করতে হবে।

৪.চিনি জাতিয খাবার খাওয়া সম্পূণ ছেড়ে দিতে হবে।

[h2]ডায়াবেটিস রোগের ৮টি লক্ষন:[/h2]

১.ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, বিশেষ করে রাত ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।

২.খুব বেশি পিপাসা লাগা

৩.বেশি ক্ষুধা লাগা

৪.পরিমান মতো খাওয়া সত্তেও ওজন কমে যাওয়া।

৫.চামরা শুকিয়ে যাওয়া।

৬.চোখে ঝাপসা দেখা।

৭.সামান্য পরিশ্রমে ক্লান্তি ওদুবলতা বোধ করা।

৮. শরীরের কোথাও কেটে গেলে দেরিতে শুকানো।

ইত্যাদি।
[end]