তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিকাশে উল্লেখযোগ্য ১০জন ব্যাক্তির বিষয় জেনে নিন। | Twicebd.com l


Search Any Page Of TwiceBD.Com

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিকাশে উল্লেখযোগ্য ১০জন ব্যাক্তির বিষয় জেনে নিন।

Md Baijit Bustami
Administrator
Total Post 57

প্রিয় ভাই প্রথমে আমার সালাম নেবেন । আশা করি ভালো আছেন । কারণ Twicebd.com এর সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে । আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি । তাই আজ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য আরেক টা নতুন টিপস । আর কথা বাড়াবো না কাজের কথায় আসি ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশে উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তিক্তঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির আজকের বিকাশের পেছনে রয়েছে অনেক বিজ্ঞানী, ভিশনারি, প্রকৌশলী এবং নির্মাতাদের অবদান। তার এবং তারহীন যােগাযােগ ব্যবস্থা, কম্পিউটারের গণনা ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাইক্রোইলেকট্রনিক্সের বিকাশ বর্তমানে আইসিটিকে মুঠোর মধ্যে নিয়ে এসেছে। আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ বা প্রচলন শুরু হয় চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) [১৭৯১-১৮৭১] নামে একজন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গণিতবিদের হাতে। অনেকে তাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলে থাকেন। তিনি তৈরি করেন ডিফারেন্স ইঞ্জিন। ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে চার্লস ব্যাবেজের বর্ণনা অনুসারে একটি ইঞ্জিন তৈরি করা হয়। দেখা যায় যে, সেটি সঠিকভাবেই কাজ করছে এবং পরবর্তীতে তিনি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে একটি গণনা যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন। তবে গণনার কাজটি কীভাবে আরাে কার্যকর করা যায় সেটি নিয়ে ভেবেছিলেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace) (১৮১৫-১৮৫২) মায়ের কারণে অ্যাডা ছােটবেলা থেকে বিজ্ঞান ও গণিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানাের জন্য ‘প্রােগ্রামিং’-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রােগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়। ১৮৪২ সালে ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে পুরাে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি বর্ণনা করেন। কাজের ধারা বর্ণনা করার সময় তিনি এটিকে ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন। অ্যাডার মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নােট আবারাে প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেসই অ্যালগরিদম অ্যাডা লাভলেস প্রােগ্রামিংয়ের ধারণাটা আসলে প্রকাশ করেছিলেন। ব্যাবেজ আর আমার এই কার্যক্রমের পাশাপাশি সে সময় পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়। বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক.ম্যাক্সওয়েল (James Clerk Maxwell) (১৮৩১-১৮৭৯) তড়িৎ | চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রকাশ করেন, যা কিনা তারে বার্তা প্রেরণের একটি সম্মানাকে তুলে ধরে। বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্ররণে প্রথম সফল হন বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু Jagadish Chandra | জেমস ক্লার্ক মঙ্গল Bose) (১৮৫৮-১৯৩৭)। ১৮৯৫ সালে জগদীশচন্দ্র বসু অষ্ঠিদ্র তরল ব্যবহার করে এক স্বল থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রণে সক্ষম কন। কিন্তু তার এই আবিস্কার প্রকাশিত না হওয়ায় সার্বজনীন স্বীকৃতি পায়নি। স্বীকৃতি পান ইতালির বিজ্ঞানী একই কাজ প্রথম প্রকাশিত হওয়ায় সার্বজনীন গুগলিয়েলম বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে মার্কনি (Guglielmo Marcomi) (১৮৭৪-১৯৩৭)। এজন্য তাকে বেকার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বিশ শতকে ইলেকট্রনিক্সের বিকাশের পর প্রথমে আইবিএম কোম্পানি মেইনফ্রেম কম্পিটার তৈরি করে। পর্যায়ক্রমে ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর আবিস্কৃত হলে সাশ্রয়ী কম্পিউটার তৈরির পথ সুগম হয়। পুপন্সিয়েলমাে মার্কনি বিশ শতকের ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল (Internet Protocol) ব্যবহার করে আরপানেটের (Arpanet) আবিস্কৃত হয়। বলা যায়, তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূল্পে মধ্যে আন্তঃসত্মােণ বিকশিত হতে শুরু করে। আর এ বিকাশের ফলে তৈরি হয় ইন্টারনেট। ১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পালাপের সূচনা করেন আমেরিকার প্রােগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন Rেarmond Sarmuel Tomlinson)। তিনিই প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু মাইক্রোপ্রসেসরের আবির্ভাবের পর বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সেটি ব্যবহার করে পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরির কাজ শুরু হয়। স্টিভ জবস (Steve Jobs) (১৯৫৫-২০১১) ও তার দুই বন্ধু স্টিভ জজনিয়াক (Steve Wozaniak) ও রোনাল্ড ওয়েনে | (Ronald Wayne) ১৯৭৬ সালের ১লা এপ্রিল অ্যাপল কম্পিউটার নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান। অ্যাপলের হাতেই পার্সোনাল কম্পিউটারে নানান পর্যায় বিকশিত হয়েছে। অন্যদিকে ১৯৮১ সালে আইবিএম কোম্পানি তাদের বানানাে পার্সোনাল কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করার জন্য উইলিয়াম হেনরি বিল গেটস (William Henry Gates) (জন অক্টোবর ২৮, ১৯৫৫) ও তার বন্ধুদের প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটকে দায়িত্ব দেয়। বিকশিত হয় এমএস ডস এবং উইন্ডােজ অপারেটিং সিস্টেম। বর্তমানে পৃথিবীর অধিকাংশ কম্পিউটার পরিচালিত হয় বিল গেটস প্রতিষ্ঠিত মাইক্রোসফট | কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার দিয়ে। ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী। হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার। তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন। সেই থেকে স্যার টিমােথি জন | ‘টিম বার্নাস-লি (Tim Berners Lee) (জন্ম জুন-৮, ১৯৫৫)ওয়ার্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত। নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট কিভূত হয়। ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। | এবং বিকশিত হয় বিষ্মিধ্বনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যােগাযােগ মাধ্যমের নাম | ফেসবুক। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মার্ক জুকারবার্গ (Mark Zukerberk) (জন্ম মে ১৪, ১৯৮৪) ও তার চার বন্ধুর হাতে সুচিত হয়। ফেসবুকের। শুরুতে এটি কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবদ্ধ থাকলেও মার্চ ২০১৫-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের প্রায় ১৪১৫ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ফেসবুক ব্যবহার করেন। এ সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। আমাদের বাংলাদেশের অনেকেই সামাজিক যােগাযােগের মাধ্যম হিসেবে এখন ফেসবুক ব্যবহার করেন। আসলে পোস্টি আমি আমার নবম শ্রেণির তথ্য বই থেকে লিখে করেছি। তাই কিছু জায়গায় ভূল হতে পারে তাই, যদি ভূলও হয় তাহলে ক্ষমা করে দিয়েন। 

তাহলে ভাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন Twicebd.com এর সাথে থাকুন । আর এই সাইট যদি ভালো লাগে আপনার বন্ধুদের জানাবেন । ধন্যবাদ ।

3 months ago (October 19, 2019) 203 Views

6 responses to “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিকাশে উল্লেখযোগ্য ১০জন ব্যাক্তির বিষয় জেনে নিন।”

    1. _SaLmAn_ _SaLmAn_
      Author
      says:

      Nice post…👌

Leave a Reply