জানেন কি ২০৫০ সালের স্মার্টফোন গুলো কেমন হবে? কিছু ধারনা নিয়ে নিন। | Twicebd.com l


Search Any Page Of TwiceBD.Com

জানেন কি ২০৫০ সালের স্মার্টফোন গুলো কেমন হবে? কিছু ধারনা নিয়ে নিন।

Zisan Islam
Author
Total Post 17

প্রিয় ভাই প্রথমে আমার সালাম নেবেন । আশা করি ভালো আছেন । কারণ Twicebd.com এর সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে । আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি । তাই আজ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য আরেক টা নতুন টিপস । আর কথা বাড়াবো না কাজের কথায় আসি ।

আসসালামু আলাইকুম,,,,,,,,,,,,,,,
আশা করি ভালো আছেন? আমিও ভালো আছি। তো আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো
২০৫০ সালে কি রকম স্মার্ট ফোন থাকবে।

অকল্পনীয় ব্যাটারি লাইফ


সামনের স্মার্টফোন গুলোতে সবচাইতে উল্লেখ্যযোগ্য পার্থক্য আসতে চলেছে, আর সেটা হচ্ছে ব্যাটারি লাইফ। হ্যাঁ, আজকের ফোন গুলো অনেক উন্নত কিন্তু ব্যাটারি লাইফ এতোটাও উন্নত নয়। এমন হলে কেমন হবে, যদি পুরো সপ্তাহ বা পুরো মাস ব্যাটারি ব্যাকআপ দেয় বিনা চার্জ করে! আবার চার্জ করার সময় হয়তো ২-৫ সেকেন্ড প্রয়োজনীয় হতে পারে। এখন আমাদের কাছে ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি রয়েছে, কিন্তু সামনের দশ থেকে বিশ বছরে হয়তো সুপার ক্যাপাসিটারস্মার্টফোনে যুক্ত হয়ে যাবে ফলে ৫ সেকেন্ডের বেশি সময় লাগবে না স্মার্টফোনকে চার্জ করতে। আজকের ব্যাটারি টেকনোলজি ব্যবহার করে ৭ দিন বা ৩০ দিন একটানা চার্জ ধরে রাখা সম্ভব নয়, কিন্তু সামনে আশা করা যায় সম্পূর্ণ নতুন ব্যাটারি টেকনোলজি আমাদের সামনে চলে আসবে।

মোড়ানো স্ক্রীন


যদি কথা বলি ভবিষ্যৎ ফোনের স্ক্রীন টেকনোলজি নিয়ে তো অবশ্যই নতুন কোন প্রযুক্তি আসতে চলেছে যেটা অসাধারণ ডিসপ্লে কোয়ালিটি দিতে সক্ষম হবে। আজ থেকে দশ বা বিশ বছর পরে নয়, অবশ্যই কয়েক বছরের মধ্যেই প্রত্যেকটি ফোনে ওলেড স্ক্রীন ব্যবহার হওয়াটা একটি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে দাঁড়াবে। স্ক্রীনে প্রচণ্ড হাই রিফ্রেশ রেট থাকবে, হতে পারে ১০০০ হার্জ। আর হাই রিফ্রেশ রেট অর্জন করার জন্য অবশ্যই ওলেড স্ক্রীন প্রয়োজন পড়বে, কেনোনা ওলেড হাই রিফ্রেশ রেট অর্জন করার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত! সাথে ফোন গুলোর সাথে মোড়ানো ডিসপ্লে ফিচার থাকতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে হয়তো ফোনটির ডিসপ্লে কয়েকটি পার্টে ফোল্ড করা থাকবে, এতে আপনি এই অবস্থাতেই সাধারণ ইউজ করতে পারবেন। কিন্তু যখন বড় স্ক্রীন প্রয়োজনীয় হবে, জাস্ট ফোল্ড গুলো সরিয়ে স্ক্রীনকে বড় করে নিতে পারবেন। আর বড় স্ক্রীনের কতো সুবিধা থাকতে পারে সেগুলো নিশ্চয় বর্ণনা করার প্রয়োজন নেই, এক্সট্রা সুবিধা হিসেবে ফোনটিকে আবার মুরিয়ে পকেটে নিয়ে নিতে পারবেন। সাথে হয়তো আজকের মতো স্ক্রীন থাকবেই না ফিউচার ফোন গুলোতে। হতে পারে ফোনের মেন্যু সরাসরি হাওয়াতে ভেসে বেড় হবে। হ্যাঁ, আমি রিয়াল হলোগ্রাফিক স্ক্রীনের কথা বলছি, যেখানে স্ক্রীন থেকে যেকোনো কিছু হলোগ্রাম হয়ে বেড় হয়ে আসবে। হতে পারে ফোনের সাথে আলাদা কোন ডিভাইজ থাকবে যেটা ছাদে সেট করা থাকতে পারে, এতে আপনি হলোগ্রাফিক ভার্সনে কারো সাথে ভিডিও কল করতে পারবেন। সে ব্যক্তিটি জাস্ট আপনার ফোনের স্ক্রীন থেকে বেড় হয়ে আসবে, এবং আপনার কাছে সমস্ত কিছু ব্যাস্তব মনে হবে। সাথে ডিসপ্লে এমন কোন ম্যাটেরিয়াল দ্বারা তৈরি করা হতে পারে, যেটাতে দাগ ফেলা বা ডিসপ্লে ভাঙ্গা অসম্ভব হয়ে যাবে। তখন হয়ত আমদের বর্তমান মোবাইল গুলো বা আইফোন এক্স এর দাম এখন যেই রকম সব চেয়ে কমদামি ফোনের সেই রকম দাম থাকবে।তো হয়ত আমরা সেই পর্যন্ত বেচে থাকব না।তাই হয়ত আমাদের সেগুলো দেখাও হবে না।

Notice

যদি পোস্টে কোনো ভুল ত্রুটি থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন। আর পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে একটা লাইক দিয়ে আসুন। পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
4 months ago (October 5, 2019) 116 Views

Leave a Reply